• শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ১০:৪০ অপরাহ্ন

কাঁঠালিয়ায় ভুমি অফিসের অফিস সহায়ক ইলিয়াছ খানের বিরুদ্ধে সরকারি কোটি কোটি টাকা মুল্যের জমি দখলসহ নানা অভিযোগ

banglar anandabazar / ৫৪৩ Time View
Update : সোমবার, ১৯ জুন, ২০২৩

ঝালকাঠি প্রতিনিধি।। ঝালকাঠির কাঠালিয়ায় উপজেলার কচুয়া গ্রামের বাসিন্ধা মোঃ আবুল কালাম খানের পুত্র মোঃ ইলিয়াছ খান প্রায় ১০ বছর পূর্বে ভুমি অফিসের অফিস সহায়ক (এম এ এল এস এস) পদে চাকরি নেয়ার পর থেকে ক্ষমতার অপব্যাবহার করে আসছে। এমনকী তৎকালিন কাঠালিয়া উপহেজলা নির্বাহী অফিসার আকন্দ মোহাম্মদ ফয়সাল উদ্দীন ও ঝালকাঠি জেলা প্রশাসক মোঃ জোহর আলীকে ভুল বুঝিয়ে তার পিতা মোঃ আবুল কালাম খান ও মাতা মোসাঃ মনোয়ারা বেগমকে ভূমিহীন দেখিয়ে কচুয়া বাজারের মধ্যে থাকা ৩৯ নং কচুয়া মৌজার ১৬১৫ দাগের সরকারের গুরুত্বপূর্ন প্রায় ১০ কোটি টাকা মূল্যের সরকারি ১৬ শতাংশ জমি ভূমিহীনে নিয়েছেন। এ নিয়ে ওই এলাকায় চলছে জল্পনা-কল্পনা। এমনকী ইলিয়াছ সরকারি চাকুরি থাকাকালীন সময়ে ৪ বছর সৌদি আরব গিয়ে চাকুরি করে পূনরায় আবার বাড়ি এসে প্রশাসনকে ম্যানেজ করে পূনরায় চাকরিতে যোগদান করেন, প্রথমে কাঠালিয়া সদর ভুমি অফিসে, কিছুদিন পরে নলছিটি ভুমি অফিস বর্তমানে কাঠালিয়া উপজেলার পাটিখালঘাটা ইউনিয়ন ভুমি অফিসে কর্মরত থাকলেও তিনি অফিস ফাঁকি দিয়ে সপ্তাহে ২/৩ দিন গিয়ে হাজিরা দিয়ে আসেন। একজন ভূমি অফিসের অফিস সহায়কের খুটির জোর কোথায় এ নিয়ে আলোচনা সমলোচনা করলেও সরকারি ভাবে তার বিরুদ্ধে নেয়া হয়নি কোন আইনি ব্যাবস্থা। বর্তমানে মোঃ আবুল কালাম ও তার মা মোসাঃ মনোয়ারা বেগমসহ ওই পরিবারে মধ্যে কেউ নেই ভূমিহীন, বর্তমানে তাদের বসৎ বাড়িতে রয়েছে পাকা ভবন, ২ টি টিওবয়েল, পানির মর্টার, পাকা টয়লেট, কচুয়া ভূমি অফিসের পিছনে আরেকটি বাড়িসহ রয়েছে অনেক জমা জমি। এ বিষয়ে কচুয়া বাজার কমিটির সভাপতি ও ব্যবসায়ী, এস এম মনিরুল ইসলাম রুঙ্গু, ইউপি সদস্য ও সাংবাদিক এইচ এম নাসির উদ্দিন আকাশ, ব্যবসায়ী ও সাবেক কচুয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এ কে এম মোস্তফা কামাল, ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারন সম্পাদক মোঃ আনোয়ার হোসেন তোফাজ্জেল খলিফা, ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি এটিএম মাইদুল ইসলাম লিটন, ব্যবসায়ী, মোঃ নজরুল ইসলাম, মোঃ জলিলুর রহমান, মোঃ ফিরোজ আলম, মোঃ জুৃয়েল খান, মোঃ জহিরুল ইসলাম, মোঃ মহারাজ খান মোঃ ছিদ্দিক ফরাজীসহ আরো অনেকে। ভুমি মন্ত্রী, ভুমি মন্ত্রনালয়ের সচিব, জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারসহ বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দেয়া হলেও এ খন পর্যন্ত নেয়া হয়নি আইনি ব্যাবস্থা । অভিযোগ দেয়ার পরে ওই জমিতে বর্তমানে ২০/১০ ফুট একটি দোকান ঘর উত্তোলন করে প্রবাস ফেরত মোঃ কামাল হোসেন মৃধার কাজ থেকে ১ লক্ষ টাকা অগ্রিম নিয়ে ঘরটি ভাড়া দেয়া হয়েছে। তা ছাড়াও বর্তমানে তাদের পূরতন ও ভুমি অফিসের পিছনের বাড়ির উঠানে বসে ঘর তৈরি করে সরকারি ওই জমিতে উঠানোর উদ্যোগ চলমান রয়েছে। এলাকাবসী উদ্ধের্তন কর্তৃপক্ষের সরেজমিনে এসে তদন্ত করে আইনি ব্যাবস্থা নেয়ার জন্য অনুরোধ জানান। এ ছাড়াও সরকারের ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার পরে বর্তমানে স্মর্ট বাংলাদেশ ঘোষনা করার পরেও কচুয়া বাজারে সরকারি জমি না থাকায় নেই তেমন কোন উন্নয়ন তাই, বাজারের দিন শুক্র ও সোমবার রাস্তায় বসে রৌদ্রে পূরে ও বৃষ্টিতে ভিজে তরি তরকারি, হাস মুরগী, কবুতর, চাউল, মাছসহ নিত্তোপ্রয়োজনীয় জিনিস পত্র বিক্রি করতে হচ্ছে। বাজারে মধ্যে সরকারি জমি থাকলেও তা সরকারি অফিসারদেরকে ভুল বুজিয়ে ভুমিহীনে নিয়ে চলছে দোকান ঘর নিমার্ন করে জমজমাট ব্যবসা।

শেয়ার করুন


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category