দৈনিক মানবজমিন ও ৭১ টিভির জামালপুরের বকশিগঞ্জ প্রতিনিধি সাংবাদিক গোলাম রব্বানী নাদিমের খুনিদের ফাঁসি ও সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে ১৯জুন, সোমবার সকাল ১০টায় পিরোজপুরের, মঠবাড়িয়ায় পৌরশহরের শহীদ মিনার সম্মুখ সড়কে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশের আয়োজন করেন ৫টি পেশাদার যৌথ
সাংবাদিক সংগঠন, তথা মঠবাড়িয়া রিপোর্টার্স ক্লাব, সাংবাদিক সমিতি, উপজেলা প্রেসক্লাব, রিপোর্টার্স ইউনিটি ও সাংবাদিক ইউনিয়নের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন। মঠবাড়িয়া রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি নাজমুল আহসান কবিরের সভাপতিত্বে ও সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক জুলফিকার আমিন সোহেলের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন পৌর প্রশাসক আরিফ উল হক রিপোর্টার্স ক্লাবের উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক নুরহোসেন মোল্লা, উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি শাকিল আহমেদ নওরোজ,পৌর ৩ নং ওয়ার্ডের সাবেক কমিশনার হেমায়েত উদ্দিন, উপজেলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি মজিবুর রহমান, সাংবাদিক ইউনিয়ন সভাপতি জামাল এইচ আকন, রিপোর্টার্স ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক কামরুল আকন, উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারন সম্পাদক হারুন অর রসিদ, সাংবাদিক সমিতির সভাপতি ইসমাইল হাওলাদার রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি মোস্তফা কামাল বুলেট প্রবাসি মানবাধিকার ফাউন্ডেশনের সভাপতি মনিরুজ্জামান মনির সাংবাদিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক শাকিল আহমেদ, ৭১ টিভির মঠবাড়িয়া প্রতিনিধি আফজাল হোসেন রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক আঃ রহমান আল নোমান, রিপোর্টার্স ক্লাবের যুগ্ন সম্পাদক নাছির উদ্দিন দৈনিক ভোরের ডাক মঠবাড়িয়া প্রতিনিধি মোঃ রুম্মান হাওলাদার, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মঠবাড়িয়া রিপোর্টার্স ক্লাব রিয়াজুল ইসলাম সজিব প্রমুখ সহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করেন। এসময় বক্তারা সারা দেশে বিভিন্ন সময়ে সাংবাদিক নির্যাতনের বিরুদ্ধে সরকারের পক্ষ থেকে জোরালো পদক্ষেপ দাবি করেন। এছাড়াও ব্যানার ও ফেস্টুন টাঙিয়ে সাংবাদিক নাদিম হত্যায় জড়িত সকল খুনিদের অবিলম্বে গ্রেফতার পূর্বক ফাঁসি ও সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানান।
সংবাদ প্রকাশকে কেন্দ্র করে বকশীগঞ্জের সাধুরপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মাহমুদুল আলম (গোলাম রব্বানি নাদিমের) উপর ক্ষুব্ধ হয়ে হুমকি ধামকি দিয়েছিল এবং আগেও তিনি নানাভাবে হেনস্তা করার চেষ্টা করেছেন। এরপর নাদিম তার ব্যক্তিগত ফেসবুক প্রোফাইল থেকে একটি লাইভ করেন। এতে প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও পুলিশ প্রশাসনের নিকট সার্বিক নিরাপত্তা চেয়েও শেষ রক্ষা হয়নি নাদিমের। ১৪ জুন রাতে সংবাদ সংগ্রহ শেষে বাসায় ফেরার পথে হত্যার উদ্দেশ্যে চেয়ারম্যান বাবু ও তাঁর পুত্র ১৪-১৫জন নিজ দলীয় কর্মী ও সাঙ্গোপাঙ্গ নিয়ে সাংবাদিক নাদিমের মোটরসাইকেল থামিয়ে তার উপর নেক্কারজনক হামলা চালায়। এতে গুরুতর আহত হয়ে চিকিৎসারত অবস্থায় ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১৫ জুন মারা যান। এদিকে একই স্থানে ১৭ জুন শনিবার সকাল ১০টায় মঠবাড়িয়ায় রিপোর্টার্স ক্লাব ও প্রেসক্লাবের পৃথক দুটি মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।