ঝালকাঠি প্রতিনিধি।। ঝালকাঠি জেলার কাঠালিয়া উপজেলার বানাই গ্রামের, ডালিয়া ইসলাম নূরানী ও তাহফিজুল কুরআন মাদ্রাসা সু-নামের সাথে পরিচালনা করে আসছে, এই মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠতা সাবেক আইন প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার শাহজাহান ওমর বীরউত্তম এর এপিএস বিশিষ্ঠ সমাজ সেবক আলহাজ্ব জহুরুল ইসলাম বাদশা তালুকদার, মাদ্রাসাটিতে উন্নয়ন মুলক কাজ চলমান রয়েছে। বর্তমানে কতিপয় স্বার্থান্বেষী লোকজন ইর্শান্বিত হয়ে এই মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠতা বাদশা তালুকদারকে বিভিন্নভাবে হয়রানি করে আসছে বলে জানিয়েছে বাদশা তালুকদার।
বাদশা তালুকদার জানান, বানাই গ্রামের আল ইসলামিয়া দারুল কুরআন কওমিয়া মাদ্রাসার কমিটির অনিয়ম ও টাকা আত্মসাৎ করার প্রতিবাদের কারণে সেই মাদ্রাসায় ১২ বছর যাবৎ কর্মরত মুহতামিম (প্রধান) হাফেজ মাওলানা ওবায়দুল ইসলামকে লাঞ্ছিত করে অন্যায় ভাবে বহিষ্কার করেছেন কমিটির লোক নজরুল ইসলাম ফোরকান তালুকদার, আতিকুর রহমান পল্লব এবং মিজানুর রহমান তালুকদার (প্রাইমারী শিক্ষক)। হাফেজ সাহেব একজন শারিরিক প্রতিবন্ধী। ভালো শিক্ষা দানের কারনে তার ব্যাপক সমাদর রয়েছে। তার পিতা ও একজন বোনা আমেরিকার বাসিন্দা, সুধু মাত্র ইসলামের খেদমত করার জন্য শিক্ষকতা করেন তিনি। বহিষ্কারের পর হাফেজ সাহেব একই গ্রামের আঃ ছাত্তার তালুকদার জামে মসজিদে ইমামতি করতেন। উক্ত দুর্বৃত্তরা তাকে প্রাণনাশের হুমকি দিলে তিনি নিজ এলাকায় চলে যায় । তখন এলাকাবাসীর অনুরোধে আমার প্রয়াত স্ত্রী ডালিয়া ইসলামের নামে “ডালিয়া ইসলাম নূরানী ও তাহফিজুল কুরআন মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করেছি”। দিনে দিনে আমার মাদ্রাসার শিক্ষার্থীর পরিমাণ বৃদ্ধি পাচ্ছে, এলাকাবাসী ও শিক্ষার্থীরা হাফেজ সাহেব কে একনজর দেখার অনুরোধ করলে প্রশাসনের অনুমতি নিয়ে তাকে মাদ্রাসায় নিয়ে এসেছি, তাই কতিপয় কুচক্রী লোকজন ইর্শান্বিত হয়ে মাদ্রাসার সু-নাম নষ্ট করার চেষ্টা চালাচ্ছে, বর্তমানে মহিষকান্দি গ্রামের মৃতু মইনউদ্দীন তালুকদারের ছেলে রফিক তালুকদারকে দিয়ে আমার নামে হয়রানী মূলক মিথ্যা মামলা দিয়াছে।
এলাকাবাসী জানান, আমরা দীর্ঘদিন যাবত আমাদের বাচ্চাদের আল ইসলামিয়া দারুল কুরআন কওমিয়া মাদ্রাসায় পড়াতাম। সেখানের কমিটির অনিয়মের প্রতিবাদ করার কারণে সেই মাদ্রাসার শিক্ষক হাফেজ মাওলানা ওবায়দুল ইসলামকে অন্যায় ভাবে বহিষ্কার করেছেন কমিটির লোকজন। তখন আমরা জহুরুল ইসলাম বাদশা তালুকদার এর কাছে অনুরোধ করলে তিনি ডালিয়া ইসলাম নূরানী ও তাহফিজুল কুরআন মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করেন। আমরা বর্তমানে বাদশা তালুকদারের প্রতিষ্ঠিত ডালিয়া ইসলাম নূরানী ও তাহফিজুল কুরআন মাদ্রাসায় আমাদের বাচ্চাদের পড়াই। এতে ইর্শান্বিত হয়ে স্বার্থান্বেষী লোকজন বাদশা তালুকদার এবং তার প্রতিষ্ঠিত মাদ্রাসার সু-নাম নষ্ট করার চেষ্টা চালাচ্ছে। ইতিমধ্যে বাদশা তালুকদারের নামে বিজ্ঞ আদালতে একটি হয়রানি মূলক মামলা দায়ের করেছেন, অনতিবিলম্বে আমরা এই মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানাচ্ছি।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত ব্যাক্তিরা বলেন, হুজুরকে আমরা লাঞ্ছিত করিনি, কারা লাঞ্ছিত করেছে তাও আমরা জানিনা, আমাদের উপর মিথ্যা অভিযোগ আনা হয়েছে, অভিযোগটি সত্য নয়।
hideosities xyandanxvurulmus.JxyGydqnXteX