• বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ০৩:৫১ অপরাহ্ন

অনিয়ম দূর্নীতি করে অঢেল সম্পদের মালিক কাঠালিয়ার চেঁচরীরামপুর এম.এল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দুই শিক্ষক

banglar anandabazar / ২৬৬ Time View
Update : শনিবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৪

নিজস্ব প্রতিবেদক ।। ঝালকাঠি জেলার কাঠালিয়া উপজেলার চেঁচরীরামপুর এম.এল মাধ্যমিক বিদ্যালয় মেহিদী হাসান (পল্টী মেহেদী) ও সোহরাব হাওলাদর (পামুরী সোহরাব) এই দুই শিক্ষের কারনে ধংষের পথে, অনিয়ম দূর্নীতি করে অঢেল সম্পদের মালিক হয়েছে দুজনেই। ইতিপূর্বে দুজনই রাজনৈতিক ক্ষমতা খাটিয়ে নিজেদের দাবী করে প্রধান শিক্ষক। ইউপি চেয়ারম্যান পরিবর্তন হলে প্রধান শিক্ষক হয়ে যায় সহকারী শিক্ষক এবং সহকারী শিক্ষক হয় প্রধাণ শিক্ষক। স্বার্থ হাসিলের জন্য দীর্ঘদিন ধরে মামলা চলমান রয়েছে এই দুই শিক্ষক এর মাঝে।

জানাযায় ইউপি চেয়ারম্যান জাকির হোসেন এর পক্ষ নিয়ে এই স্কুলে রাজত্ব ও লুটপাট সহ নিয়োগ বাণিজ্য করে করেছের সোহরাব হাওলাদার (পামুরী সোহরাব), ততকালিন সময়ে স্কুলটির সভাপতি ছিলে জাকির হোসেন ফরাজী। আরো জানাযায় আলোচিত এই দুই শিক্ষক নিয়োগে ১০ লক্ষ্য টাকা নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে তখনকার সভাপতির বিরুদ্ধে এই অভিযোগ নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক সহকারী শিক্ষকের। এছাড়াও সোহরাব মাস্টার ডিজির প্রতিনিধির ঘনিষ্ঠ হওয়ার সুবাদে উপজেলার প্রায় ৫০ টিরও বেশি স্কুল মাদ্রাসায় লাইব্রেরিয়ান কোঠায় ভুয়া লাইব্রেরিয়ান সার্টিফিকেট দিয়ে হাতিয়ে নিয়েছেন মোটা অংকের টাকা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন এক সহকারী শিক্ষক,  যা ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা তদন্ত করলেই বেরহয়ে আসবে।

অপরদিকে সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান এমাদুল হক মনির এর প্রভাব খাটিয়ে ইউপি চেয়ারম্যান হারুন আর রশীদ এর পৃষ্ঠপোষকতায়, চেয়ারম্যান এর বড় ভাই হাবিব জমাদারকে সভাপতি বানিয়ে শিক্ষক ও কর্মচারী নিয়োগে পল্টি মেহেদীর মধ্যমে ৪০ লক্ষ টাকা লেনদেন হয়েছে। স্কুলের সহকারী শিক্ষক ননি গোপাল এর নিয়োগের ৩ দিন বছরের পরে পুনোরায় আবারো হাতিয়ে নিয়াছে মোটা অংকের টাকা। এভাবে দূর্নীতি করে দুই শিক্ষই গড়েছে সম্পদের পাহার। পার্শ্ববর্তী পিরোজপুর জেলার ভান্ডারিয়া উপজেলা সাবেক বন পরিবেশ মন্ত্রী আনোয়ার হোসেন মঞ্জুর বাড়ির পাশে নির্মাণ করেছেন কোটি টাকার  বাড়ি। অনুসন্ধান করলেই বেরহয়ে আসবে সম্পদের সকল বিবরণী।

শেখ হাসিনা সরকার এর পতন এর পর এই দুই শিক্ষকের সার্থে ব্যাবহৃত হচ্ছে সাধারণ শিক্ষার্থীরা। বিদ্যালয়ে নেমে এসেছে চরম বিপর্যয়। এরি মধ্যে ছাত্র আন্দলনের তোপের মুখে পরেছে মেহেদী। ইতিমধ্যে মেহেদীর পদত্যাগ চেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নেছার উদ্দীন এর কাছে কাছে অভিযোগ করেছে সহকারী শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

এবিষয়ে মেহিদী হাসানের মেহেদী হাসানের ব্যবহারিক ফোনে ফোন দিলে তিনি রিসিভ করেননি, সোহরাব হাওলাদার জানান আমার সম্পদ পৈতৃক সূত্রে পাওয়া, আর স্কুল থেকে বেতন যা পাই তা দিয়ে কয়েকটা ডাল ভাত খেয়ে জীবন যাপন করি।

 এবিষয়ে কাঠালিয়া উপজেলায় আতিরিক্ত দায়িত্বে সুশিল চন্দ্র সেন বলেন, এদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম দূর্নীতির বিষয়ে তদন্ত কমিটি ঘঠন হয়েছে, এটি নিষ্পত্তির পরে সকল বিষয়ে তদন্ত করে দেখা হবে।

শেয়ার করুন


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category