বিশেষ প্রতিনিধি।। বিএনপির রাজনৈতিক ইতিহাসের প্রতিটি বাঁকে যারা ত্যাগ করেছেন, যন্ত্রণায় পথ হেঁটেছেন, এবং নেতৃত্বের ভিত গড়ে তুলেছেন তাদের মধ্যেই অন্যতম নাম গোলাম আজম সৈকত।
তিনি শুধু একজন রাজনৈতিক কর্মী নন, তিনি একজন পরীক্ষিত সৈনিক, সংগঠনের ভরসার প্রতীক এবং সাধারণ মানুষের আস্থার জায়গা।
আজ বিএনপির যেই তিনটি মূল যোগ্যতার ভিত্তিতে মনোনয়ন নির্ধারণের কথা বলা হয়, সৈকত ভাই তাতে শতভাগ উপযুক্ত:
১. দলীয় আনুগত্য ও পরীক্ষিত ত্যাগ:ছাত্র রাজনীতি থেকেই বিএনপির রাজপথের সাহসী মুখ হিসেবে পরিচিত। মিথ্যা মামলা, পুলিশি হয়রানি, গ্রেফতার সবই মাথা পেতে নিয়েছেন দলের পতাকা সমুন্নত রাখতে। কোনো লোভ, ভয় কিংবা স্বার্থ তাকে বিচ্যুত করতে পারেনি।
২. জনসমর্থন ও জনপ্রিয়তা:ঝালকাঠি-১ আসনে গোলাম আজম সৈকত ভাই মানুষের হৃদয়ের নেতা। তিনি কারো ওপর চাপিয়ে দেওয়া নাম নন, তিনি মাঠে ঘাম ঝরিয়ে অর্জিত নেতার নাম। তার কর্মকাণ্ডে, কথায়, ব্যবহার ও সেবায় মানুষ তাকে বিশ্বাস করে।
৩. সাংগঠনিক দক্ষতা ও নির্বাচনী সামর্থ্য:তিনি জানেন কীভাবে সংগঠনকে একত্রিত রাখতে হয়, জানেন কীভাবে নির্বাচন পরিচালনা করতে হয়। তার রয়েছে স্পষ্ট রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি, তরুণদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ, এবং প্রতিপক্ষের মোকাবেলায় কৌশলগত প্রস্তুতি।আজ বিএনপি যদি প্রকৃত নেতৃত্ব চায়, রাজপথে লড়াই করে উঠে আসা জননন্দিত একজন প্রার্থীকে মনোনয়ন দিতে চায় তাহলে গোলাম আজম সৈকত ভাইয়ের চেয়ে যোগ্য নাম আর হতে পারে না।এটাই সময় সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার। সংগঠন, জনভিত্তি ও রাজনৈতিক প্রজ্ঞা সবদিক থেকেই তিনি একজন পরিপূর্ণ প্রার্থী।গোলাম আজম সৈকত ভাইকে মনোনয়ন দিন। সংগঠন ও জনতার শক্তিকে একসূত্রে গাঁথুন।