ঝালকাঠি জেলার কাঠলিয়া উপজেলার আমুয়া ইউনিয়নে জন্মনিবন্ধন এর সংশোধন অথবা নতুন জন্মনিবন্ধন করতে গেলে বিভিন্ন হয়রানির শিকার হয়েছেন ভুক্তভোগীরা। এ বিষয়ে অনেকবার তথ্য তুলে ধরা হলো তারা কোন ধরনের পরিবর্তন আনতে পারেননি আমুয়া ইউনিয়ন পরিষদের কর্তৃপক্ষরা।
আজ সকাল ১১ টায় দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) কর্মকর্তারা আমুয়া ইউনিয়ন পরিষদে অভিযান পরিচালনা করেন।অভিযান পরিচালনার সময় ইউনিয়ন সচিবের সাথে কথা বলায় ব্যর্থ হন দুদক কর্মকর্তারা। সচিব কক্ষের কম্পিউটার অপারেটর শরিফুল আমুয়া ইউনিয়ন পরিষদের সচিব মাসুদ মিয়াকে ফোন করে দুদকের কথা জানানোর পরবর্তীতে ফোনটি বন্ধ করে রাখেন মাসুদ মিয়া।
সচিব কক্ষের নেই কোন নিয়ম-কানুন নেই হাজিরা খাতা।সচিব মাসুদ মিয়া তিন দিন অফিস ডিউটি করার কথা থাকলেও তিনি তার ভিতরে একদিন করছেন অফিস।আগামীকাল ১১ঃ০০ টার সময় দুর্নীতি দমন কমিশনের অফিসে কম্পিউটার অপারেটর শরিফুল ও সচিব মাসুদ মিয়াকে ঝালকাঠি পিরোজপুর সম্মিলিত জেলা দুদুক অফিস পিরোজপুরে ডাকা হয়েছে।জন্মনিবন্ধন নতুন করতে গেলে ৫০ টাকা সরকারি ফ্রি থাকলেও নেওয়া হচ্ছে ২০০ টাকা থেকে ৫০০ টাকা। টাকা নিলেও থাকছে হয়রানি ভুক্তভোগীরা ঠিকমতো সুযোগ সুবিধা পাচ্ছে না টাকা দিয়েও মিলছে না জন্মনিবন্ধন ঘুরছেন বহুবার সচিবের দরজায়।
এ বিষয়ে দুদকের কর্মকর্তারা শরিফুলের কাছে জানতে চাইলে শরিফুল বলেন সরকারি ফি ৫০ টাকা কিন্তু আমরা ২০০ টাকা নিয়ে থাকি এবং এই ২০০ টাকা থেকে ৫০ টাকা সরকারি ফি আর যা টাকা থাকে সেই টাকা আমরা আমাদের নিজেদের মধ্যে ভাগ করি।আমুয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আমিরুল ইসলাম কাছে দুদকের কর্মকর্তারা টাকা ভাগাভাগির বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি অস্বীকার করেন যে আমি কোন টাকা নেই না।