ঝালকাঠি প্রতিনিধি।। ঝালকাঠি জেলার কাঠালিয়া সদর ইউনিয়নের তহিমা নামে এক গৃহবধূ, স্কুল শিক্ষক হাবিবুর রহমান (মাসুদ) এর সুদের খপ্পরে পড়ে সর্বস্বান্তহয়ে এখন চা বিক্রীকরে জীবিকা নির্বাহ করেন।
অনুসন্ধানে পাওয়াজায়, হাবিবুর রহমনা (মাসুদ) কাঠালিয়া উপজেলার বিনাপানি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক। শিক্ষকতার আড়ালে মাসুদ মাস্টার চালান ভয়ংকর সুদের রমরমা ব্যাবসা। তার এই চড়া সুদের চক্রে পড়ে বিলাসবহুল বাড়ি বিক্রী করে সর্বস্বান্তহয়ে, এখন চা বিক্রী করে সংসার চালান কাঠালিয়া গ্রামের গোলাম কিবরিয়া (ছেন্টুর) স্ত্রী তহিমা। সুদের টাকা ফেরৎ দিয়েও স্কুল শিক্ষক কর্তৃক ২৮ লক্ষ টাকার মামলায় পড়তে হয়েছে তাকে।
তহিমা জানান, ২৯/৮/২০২১ সালে ব্যাবসার প্রয়োজনে মাসুদ মাস্টারের কাছ থেকে ২লক্ষ টাকা সুদে এনেছি, বিনিময়ে তাকে প্রতি মাসে ৪০ হাজার টাকা করে ২ বছর সুদ দিয়াছি। ৯/৮/২০২২ তারিখে ঋন করে ১ লাক্ষ ৫০ হাজার টাকা ফেরৎ দিয়াছে। তার পরে মাসুদ মাস্টার আমাকে কালব (এনজিও) নামে একটি প্রতিষ্ঠান থেকে ৩ লক্ষ টাকা লোন উঠিয়ে দেয়ার কথা বলে প্রয়োজনীয় কাগজ, চেকের পাতা ২ টি, দুজনের এন আইডি কার্ডের কপি, স্বামী স্ত্রীর ৪ কপি ছবি, ১ কপি রেপ, ২টি সাদা স্টাম্প স্বাক্ষর এবং খরচ বাবদ ২০ হাজার টাকা নিয়াছে, ৩ মাসেও লোন না দেওয়ায় খরচ বাবদ নেয়া টাকা ফেরৎ চাইলে, ঝালকাঠি ক্ষিপ্ত হয়ে জ্যেষ্ঠ আদালতে ৪ অক্টোবর, ২৮ লক্ষ টাকা দাবী করে আমাদের নামে একটি মামলা দায়ের করেছেন।
এ বিষয়ে মাসুদ মাস্টার বলেন, বাড়ি বিক্রীর কথা বলে তহিমা এবং তার স্বামী আমার কাছ থেকে ২৮ লক্ষ টাকা নিয়াছে, তার কারনে আমি মামলা করেছি।
এ বিষয়ে কালব কাঠালিয়া শাখার ম্যানেজার শামিম হাসান জানান, আমরা শিক্ষক প্রতিনিধি ব্যাতীত কাওকে লোন দেইনা। মাসুদ মাস্টার যদি এবিষয়ে জড়িত থাকে সেটা তার ব্যাক্তিগত ব্যাপার।