ঝালকাঠি প্রতিনিধি।। ঝালকাঠি জেলার কাঠালিয়া উপজেলার চেঁচরীরামপুর এম.এল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি হওয়ার জন্য পয়তারা চালাচ্ছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দলনের হত্যা মামলার আসামি ফরিদুজ্জামান জাহাঙ্গির ফরাজি। তিনি
চেঁচরীরামপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও চেঁচরীরামপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাবেক সভাপতি জাকির হোসেন ফরাজির বড় ভাই। এতে এলাকাবাসীর ভিতর ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।
জানাজায়, ফরিদুজ্জামান জাহাঙ্গির ফরাজী ছাত্র আন্দোলন চলাকালীন সময় আওয়ামী সরকারের পক্ষ নিয়ে ঢাকায় একাধিক হত্যা মামলায় জড়িয়েছেন। সাথে তার ভাই জাকির ফরাজিও সেই মামলায় আসামি হয়েছে।
এ বিষয়ে কৈখালী বাজারের ব্যাবসায়ী ছালাম হাওলাদার জানান, স্কুলে নির্দলীয় একজন সভাপতি দরকার তাহলে স্কুল সঠিক ভাবে পরিচালিত হবে, আমরা চাই নিরপেক্ষ নির্দলীয় একজনকে স্কুলের সভাপতির দায়িত্ব দেয়া হোক।
এ বিষয়ে স্থানিয় হাবিবুর রহমান (হাবিব বিডিবি) জানান, বিগত কয়েক বছর আগেও ফরিদুজ্জামান জাহাঙ্গির ফরাজি চেঁচরীরামপুর এম.এল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি ছিলো, তিনি কোনো উন্নয়ন করেনি বরং স্কুলে নিয়োগ বাণিজ্য করে টাকা হাতিয়ে নিয়াছে, তার ভাই জাকির এই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ছিলো, তার প্রভাবে জাহাঙ্গির সরকারি জমি দখল করেছে, এদের কাজই হলো লুটপাট আর নৈরাজ্য করা। এই সকল লোক স্কুলের সভাপতি হলে স্কুল ধ্বংস হয়ে যাবে।
নাম প্রকাশে অনইচ্ছুক অনেকেই জানান, ফরিদুজ্জামান জাহাঙ্গির ফারাজিদের গ্রামের বাড়ি কাঠালিয়া উপজেলায় থাকলেও প্রায় ৩০ বছর ধরে পরিবার সহ ঢাকায় বসবাস করেন তারা। শেখ হাসিনা সরকার পতনের পর তারা বর্তমানে বিএনপির সাইনবোর্ড লাগানোর চেস্টা চালাচ্ছে। বিএনপির কতিপয় নেতাকে হাত করে জাহাঙ্গীর ফরাজি চেঁচরীরামপুর এম.এল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি হওয়ার জন্য পায়তারা চালাচ্ছে। বিগতদিনে তারা দুইভাই মিলে বিদ্যালয়টি ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গেছে। বর্তমানে জাকির ফরাজি ও জাহাঙ্গীর ফরাজি পলাতক রয়েছে।
এ বিষয়ে অত্র বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মেহেদী হাসান জানান, কমিটির ক্ষেত্রে আমরা ৩ জন ডিগ্রী ধারি লোকের নাম প্রস্তাব করবো সেখান থেকে বোর্ড সিদান্ত নিবে কাকে এডহক কমিটির সভাপতি করা হবে।